باب التَّقَاضِي وَالْمُلاَزَمَةِ فِي الْمَسْجِدِ
পরিচ্ছেদ: মসজিদে লেন-দেনের তাগাদা করা
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ كَعْبٍ، أَنَّهُ تَقَاضَى ابْنَ أَبِي حَدْرَدٍ دَيْنًا كَانَ لَهُ عَلَيْهِ فِي الْمَسْجِدِ، فَارْتَفَعَتْ أَصْوَاتُهُمَا حَتَّى سَمِعَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ فِي بَيْتِهِ، فَخَرَجَ إِلَيْهِمَا حَتَّى كَشَفَ سِجْفَ حُجْرَتِهِ فَنَادَى " يَا كَعْبُ ". قَالَ لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ " ضَعْ مِنْ دَيْنِكَ هَذَا ". وَأَوْمَأَ إِلَيْهِ أَىِ الشَّطْرَ قَالَ لَقَدْ فَعَلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ " قُمْ فَاقْضِهِ ".
অনুবাদ: হযরত কা'ব (রা.) একবার মসজিদের মধ্যে ইবনে হাদরাদের কাছে তার পাওনা অর্থ চাইলেন। এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে খুব উচ্চবাচ্য হলো। এমনকি আল্লাহর রাসূল (সা.) ঘর থেকে তাদের শব্দ শুনে ঘরের পর্দা সরিয়ে বাইরে চলে এলেন। আর ডাক দিয়ে বললেন, হে কা'ব! তোমার ঋণ কিছু ছেড়ে দাও এবং হাত দিয়ে ইশারা করলেন অর্ধেক। কা'ব বললো, হে আল্লাহর রাসূল (সা.)! তাই করলাম। তিনি ইবনে আবু হাদরাদকে বললেন, যাও অবশিষ্ট ঋণ আদায় করো।
প্রাসঙ্গিক আলোচনা
হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য تَقَاضَى ابْنَ أَبِي حَدْرَدٍ دَيْنًا -এর সাথে। মূলতঃ শিরোনামের দুটি অংশ রয়েছে। এখানে শুধুমাত্র এক অংশের সাথে মিল রয়েছে। অর্থাৎ ঋণের তাগাদার আলোচনা রয়েছে। আর দ্বিতীয় অংশ তথা ঋণগ্রহিতার পিছু নেওয়ার আলোচনা এতে নেই। কিন্তু বুখারীর كتاب الصلح এর باب الملازمة (পৃ. ৩২৭)-তে এর আলোচনা রয়েছে। সেখানে আছে-فلقيه৯ فلزمه সুতরাং ইমাম বুখারী তার স্বভাব অনুযায়ী দ্বিতীয় অংশের জন্য ইঙ্গিত করে দিয়েছেন।
হাদীসের পুনরাবৃত্তি: হাদীসটি বুখারী শরীফে ৬৫, ৬৭-৬৮, ৩২৬, ৩২৭, ৩৭৩, ৩৭৪ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।
শিরোনামের উদ্দেশ্য: এ শিরোনাম দ্বারা ইমাম বুখারীর উদ্দেশ্য হলো এটা প্রমাণ করা যে, মসজিদে ঋণ বা লেনদেন ইত্যাদির তাগাদা করা এবং ঋণগ্রহিতার পিছু নেওয়া জায়েয আছে। এ শিরোনাম কায়েমের প্রয়োজন এজন্য হয়েছে যে, ইবনে মাজায় একটি মারফূ’ হাদীস রয়েছে-
جنبوا مساجدكم صبيانكم ومجانينكم وشراءكم و بيعكم وخصوماتكم الخ
ইমাম বুখারী এ শিরোনাম করে বলে দিলেন যে, প্রয়োজনের ক্ষেত্রে জায়েয হবে। বিশেষতঃ যখন মসজিদের বাইরে ঋণগ্রহিতার সাথে সাক্ষাৎ না হয়।
কোন মন্তব্য নেই